-
:
সম্প্রতি কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ইউসুফ হাকিম সোহেলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করেছেন। বুধবার দুপুরে কুমিল্লা নগরীতে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।এসময় তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে জনপ্রিয়তায় ঈর্স্বান্বিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করিয়েছে একটি পক্ষ। যে বন্ধন ফুড এন্ড বেভারেজ লিমিটেড-এর কোম্পানি ও জমি লেনদেন নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন এক নারী সেটি আইনানুগভাবে সম্পন্ন হয়েছে। রেজিস্ট্রার, বোর্ড রেজুলেশন এবং পাঁচজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে মালিকানা হস্তান্তর করা হয়েছে। সেই সঙ্গে পত্রিকা ও নোটিশের মাধ্যমে জানানো হয়েছিল।
তিনি বলেন, বৈধ লেনদেনকে বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, যা সত্যের সঙ্গে মেলে না। নির্বাচনী সময় হঠাৎ করে এসব অভিযোগ মিডিয়া ট্রায়াল এবং ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার প্রচেষ্টা ছাড়া কিছু নয়।
তার দাবি, সম্প্রতি অভিযোগ অনুযায়ী, প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকার লেনদেনকে ‘স্বাক্ষর জালিয়াতি’ আখ্যা দিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। নগদ অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ার পর কোম্পানির সম্পত্তি আইনানুগভাবে তার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল। ২০১৫ সাল থেকে নিয়মিত খাজনা পরিশোধ, জমি বিক্রির সময় এক বছরের জন্য টানানো সাইনবোর্ড এবং কোনো আপত্তি না আসা—সবই বৈধ মালিকানার প্রমাণ। এত বছর কেউ কোন অভিযোগ করেনি। নির্বাচনী সময়ে হঠাৎ একজন মহিলাকে সামনে এনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অভিযোগ তোলা হচ্ছে। যার সঙ্গে এই জমির বা কোম্পানির কোন যোগাযোগ বা লেনদেন নেই। যা মিডিয়া ট্রায়াল ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র ছাড়া কিছু নয়।
বক্তব্যে তিনি বলেন, যে পাঁচজনের কাছ থেকে তিনি এই জমির মালিকানা বুঝে পেয়েছেন তাদের একজন ফরহাদ। সেই ফরহাদের দ্বিতীয় স্ত্রী হলেন ওই নারী। ফরহাদের কোন অভিযোগ না থাকলেও তার স্ত্রী ভূয়া অভিযোগ তুলেছে। যারা প্রতারক চক্রের সঙ্গে জড়িত তাদের সবার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
এর আগে, ফাতেমা নামের এক নারী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ইউসুফ হাকিম সোহেলের বিরুদ্ধে সাক্ষর জালিয়াতি করে জমি আত্মসাতের অভিযোগ সংবাদ সম্মেলন করেন। এরপর বিষয়টি আলোচনায় আসে৷